ওয়ালটনের কারসাজির কাট অফ প্রাইস: অপতৎপরতা সফল হলে আরও বিকলাঙ্গ হবে শেয়ারবাজার

0
248

শেয়ারবাজারে কারসাজির আরেকটি কোম্পানি হতে যাচ্ছে বিতর্কিত ইলেকট্রনিক্স কোম্পানি ওয়ালটন হাইটেক পার্ক ইন্ডাস্ট্রিজ। ১ শতাংশেরও কম শেয়ার ছেড়ে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে কারসাজির হাতিয়ার বানানো হচ্ছে।

শেয়ার সংখ্যা কম হওয়ায় মাত্র কয়েকটি প্রতিষ্ঠান মিলে শেয়ার কিনে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাজার থেকে বিপুল অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়ার সুযোগ থাকছে এ প্রতিষ্ঠানের মালিকদের। এজন্য শুরু থেকেই কম শেয়ার ছাড়ার পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। এছাড়াও আর্থিক বিবেচনায় সীমাহীনভাবে অতি মূল্যায়িত হয়েছে এ ওয়ালটন হাইটেক পার্ক।

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ইতিমধ্যে কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের কাট অফ প্রাইস নির্ধারিত হয়েছে ৩১৫ টাকা। আর এ কাট অফ প্রাইস বিবেচনায় নিলে কোম্পানির সব শেয়ারের বাজারমূল্য দাঁড়ায় প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা, যা একেবারে অসম্ভব। এদিকে ওয়ালটনের মুনাফা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

তাদের মতে, এ কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন মাত্র ৩শ’ কোটি টাকা। কিন্তু সর্বশেষ বছরে মুনাফা দেখানো হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৪শ’ টাকা। অর্থাৎ ৩শ’ কোটি টাকার কোম্পানিতে ১৪শ’ কোটি টাকা মুনাফা। পৃথিবীর কোনো ব্যবসায় এটি সম্ভব নয়। অন্যদিকে কোম্পানির সম্পদ বৃদ্ধির পেছনে রয়েছে বড় ধরনের শুভঙ্করের ফাঁকি।

উৎপাদন পর্যায়ে কর অব্যাহতি সুবিধা পেয়ে ইচ্ছামতো কাগজে-কলমে পণ্য উৎপাদন দেখানো হয়েছে। এসব পণ্য আবার বিক্রি দেখানো হয়েছে একই গ্রুপের সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন প্লাজার কাছে। যার অনেক ফাঁকফোকর ধরা পড়েছে বিশ্লেষকদের বিশ্লেষণে।

অর্থনীতিবিদ ও বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এমনতিই বর্তমানে শেয়ারবাজারের অবস্থা চরম নাজুক। এ অবস্থায় এ ধরনের একটি কোম্পানি প্রতারণার মাধ্যমে বড় অংকের প্রিমিয়াম নিলে বাজার আরও বিকলাঙ্গ হয়ে পড়বে। তাদের মতে, বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ বিবেচনা করে এ বিডিং বাতিল করা উচিত। এরপর কোম্পানির আর্থিক রিপোর্ট পুনঃনিরীক্ষা করে নতুনভাবে শেয়ারবাজারে আসার কার্যক্রম শুরু করতে হবে।

জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বুধবার  বলেন, এ কোম্পানি শেয়ারবাজারের শৃঙ্খলা ধ্বংস করবে। পাশাপাশি এটি বিনিয়োগকারীদের সাংঘাতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

তিনি বলেন, বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে কৃত্রিমভাবে এ কোম্পানির ৩১৫ টাকা কাট অফ প্রাইস নির্ধারণ করা হয়। এটি বাজারের জন্য বড় ধরনের একটি সমস্যা তৈরি করবে। প্রশ্ন হল, কেন আমরা ১ শতাংশের কম শেয়ার দিয়ে একটি কোম্পানিকে বাজারে আসতে দেব। তিনি বলেন, কোম্পানির বড় অংকের ঋণ রয়েছে। বাজার থেকে টাকা নিয়ে কিছুটা ঋণ পরিশোধ ও বিএমআরই করবে।

এটি অপ্রত্যাশিত। ড. মিজানুর রহমান বলেন, এ কোম্পানি সিরিয়াসভাবে অতি মূল্যায়িত কাট অফ প্রাইস পেয়েছে। এখানে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগসাজশে কারসাজির মাধ্যমে এ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, একটি বিষয় লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, দীর্ঘমেয়াদেও এ কোম্পানির আয়ে ১১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দেখানো হয়েছে। এটি একেবারে অসম্ভব। কারণ, দীর্ঘমেয়াদে কোনো কোম্পানির ৩ থেকে ৪ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি হয় না।

এর মানে হল, এ কোম্পানিতে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ফলে এ উচ্চ দামে কোম্পানিটিকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির কোনো যুক্তি নেই। তিনি বলেন, ওয়ালটনের এ কারসাজি কেন নিয়ন্ত্রণ সংস্থার কাছে ধরা পড়ল না, সেটি বোধগম্য নয়।

তার মতে, এ কোম্পানি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির ব্যাপারে কারও কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু উত্থাপিত প্রশ্ন ও সন্দেহের সুরাহা করতে সবার আগে গ্রহণযোগ্য একটি প্রতিষ্ঠান দিয়ে এর আর্থিক রিপোর্ট পুনঃনিরীক্ষা করতে হবে। এরপর সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্ত করা উচিত।

শেয়ারবাজারে দেয়া ওয়ালটনের প্রসপেক্টাস (আর্থিক বিবরণী) অনুসারে বতর্মানে প্রতিষ্ঠানটির মালিকপক্ষের কাছে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের মোট ৩০ কোটি শেয়ার রয়েছে। এ হিসাবে পরিশোধিত মূলধন ৩শ’ কোটি টাকা।

কিন্তু শেয়ারবাজারে আসার পর শেয়ারের সংখ্যা আরও ২৭ লাখ ৫৮ হাজার ৬৬৭টি বাড়বে। ওই সময়ে মোট শেয়ারের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩০ কোটি ২৭ লাখ ৫৮ হাজার ৬৬৭টি। আর ইতিমধ্যে কাট অফ প্রাইস নির্ধারিত হয়েছে ৩১৫ টাকা। এ হিসাবে ওয়ালটনের মোট মূল্য দাঁড়াবে ৯ হাজার ৫৩৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ পুরো কোম্পানি কিনতে এ পরিমাণ টাকা লাগবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বাজারে প্রতিষ্ঠানটি মাত্র দশমিক ৯১ শতাংশ শেয়ার ছাড়বে। অবশিষ্ট ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশই থাকবে উদ্যোক্তাদের হাতে। বিদ্যমান আইনে উদ্যোক্তাদের নিজ কোম্পানির ন্যূনতম ৩০ শতাংশ শেয়ার রাখা বাধ্যতামূলক। আইন অনুযায়ী উদ্যোক্তাদের হাতে রাখতে হবে ৯ কোটি ৮২ লাখ শেয়ার। বাকি শেয়ার বিক্রি করতে পারে।

ওই হিসাবে বিক্রিযোগ্য শেয়ারের সংখ্যা দাঁড়ায় ২০ কোটি ৯১ লাখ। সংশ্লিষ্ট এ কোম্পানির মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের বড় ধরনের কারসাজির সুযোগ রয়েছে। তাদের মতে, যেহেতু বাজারে খুব কম শেয়ার রয়েছে, তাই প্রথমে বিভিন্ন সিন্ডিকেটের মাধ্যমে খুব সহজেই বাজারে শেয়ারের দাম বাড়াবে। এরপর বাড়তি দামে উদ্যোক্তা শেয়ার বিক্রি করে বিশাল অংকের অর্থ লুট করার সুযোগ পেয়ে যাবে।

একটি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের এক গবেষণায় দেখা গেছে, বাজারে ওয়ালটনের শেয়ারের দাম ২০০ টাকা হলেও মালিকপক্ষ শেয়ার বিক্রি করে ৪ হাজার ১৮৩ কোটি টাকা নিতে পারবে। শেয়ারের ৩শ টাকা দাম হলে নিতে পারবে ৬ হাজার ২৭৫ কোটি, ৪শ’ টাকায় নিতে পারবে ৮ হাজার ৩৬৭ কোটি টাকা। কোনোভাবে কারসাজির মাধ্যমে শেয়ারটির দাম ৫শ টাকা বানানো সম্ভব হলে তারা তুলে নিতে পারবে ১০ হাজার ৪৫৯ কোটি টাকা।

এদিকে ওয়ালটনের সম্পদ বৃদ্ধির পেছনে বড় ধরনের শুভঙ্করের ফাঁকি রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এর ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি নির্ভরযোগ্য সূত্র ও এ খাতের কয়েকজন বিশ্লেষক  বলেন, আইনের নানা ফাঁকফোকর ব্যবহার করে খাতা-কলমে উৎপাদন বেশি দেখাচ্ছে ওয়ালটন। প্রথমত, ওয়ালটন হাইটেক পার্ক তাদের উৎপাদিত টিভি, ফ্রিজসহ ইলেকট্রনিক্স পণ্য বিক্রি করছে প্রতিষ্ঠানটির অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন প্লাজার কাছে।

একইভাবে খাতা-কলমে বেশি বিক্রি দেখিয়ে লাভের পরিমাণ বাড়িয়ে দেখানো হচ্ছে। মূলত উৎপাদন পর্যায়ে কোনো ভ্যাট-ট্যাক্স দিতে হয় না। শুধু বিপণন বা বিক্রি পর্যায়ে ৫ শতাংশ হারে ভ্যাট দিতে হয়। ফলে বাস্তবে কোনো পণ্য উৎপাদন না করেও এ পন্থায় উৎপাদন ও বিক্রি বেশি দেখিয়ে লাভসহ অবশিষ্ট ৯৫ শতাংশ মিথ্যা সম্পদ বাড়ানো যায়।

এছাড়া কর্পোরেট ট্যাক্স ৩৫ শতাংশ হলেও এ শিল্পের ক্ষেত্রে বিশেষ ট্যাক্স সুবিধার এসআরও জারি করা হয়েছে। যেখানে আয়কর রাখা হয়েছে মাত্র ৫ শতাংশ। ফলে এ সামান্য পরিমাণ আয়কর দিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ বৈধ করা সম্ভব। মূলত খাতা-কলমে আয় বাড়ানোর ক্ষেত্রে এসব ফাঁকফোকর কাজে লাগাচ্ছে ওয়ালটন। এভাবে কোম্পানির আর্থিক সক্ষমতার সাইজ বাড়িয়ে ওয়ালটন ব্যাংক ঋণের বাড়তি সুবিধা নেয়া ছাড়াও শেয়ারবাজার থেকেও বিপুল অংকের অর্থ তুলে নেয়ার ফাঁদ পেতেছে। এমন অভিযোগ সংশ্লিষ্ট অনেকের।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শেয়ারবাজারে ওয়ালটনের বিডিংয়ে বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অতিরিক্ত দর প্রস্তাবের পেছনে এ ধরনের শুভঙ্করের ফাঁকি অন্যতম নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে। কারণ, প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিক রিপোর্টে ওয়ালটনের উপস্থাপিত সম্পদ বিবরণী মূল্যায়ন করেছে। কিন্তু এ শুভঙ্করের ফাঁকির বিষয়টি কেউ খতিয়ে দেখেনি।

তাদের মতে, এ ধরনের ফাঁকি ধরার জন্য প্রতিষ্ঠানটি বছরভিত্তিক কী পরিমাণ আয়কর দিয়েছে, কত টাকার ভ্যাট ও ট্যাক্স দিয়েছে, কত টাকার যন্ত্রাংশ আমদানি করেছে এবং তার বিপরীতে কী পরিমাণ উৎপাদন ও লাভ দেখিয়েছে সেটি খতিয়ে দেখা জরুরি। কেননা- টিভি, ফ্রিজ ও এসিসহ ইলেকট্রনিক্স পণ্য উৎপাদনের জন্য এর বেশির ভাগ কাঁচামাল ওয়ালটন হাইটেক পার্ককে আমদানি করতে হয়, সেহেতু কি পরিমাণ খুচরা যন্ত্রাংশ দিয়ে কত সংখ্যায় এসব পণ্য উৎপাদন করা সম্ভব, তার নিশ্চয় একটি গ্রহণযোগ্য মেথড আছে। এ পদ্ধতিতে নিট লাভের হিসাবও বের করা সম্ভব।

এছাড়া নতুন ভ্যাট আইনের আওতায় টিভি, ফ্রিজ ও এসির যন্ত্রাংশ আমদানির সময় ৫ শতাংশ আগাম কর (এটি) দিতে হয়। যা পরে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে ফেরত দেয়া হয়। ফলে এখানে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে খুচরা যন্ত্রাংশ বেশি আমদানি দেখালেও কোনো ক্ষতি নেই।

কারণ, আগাম কর তো ফেরত পাওয়া যাবে। অপরদিকে যেসব কাঁচামাল স্থানীয় বাজার থেকে কেনা সম্ভব সেগুলোর জাল কাগজপত্র প্রস্তুত করা তো আরও সহজ। মোদ্দাকথা, কারও যদি উদ্দেশ্য থাকে ব্যাংক থেকে বেশি ঋণ এবং শেয়ারবাজার থেকে বিপুল অংকের অর্থ তুলে নেবে তবে এভাবে কোম্পানির ভলিয়ুম বাড়িয়ে প্রতারণা করা সম্ভব।

সুতরাং ওয়ালটন শুরু থেকে যেভাবে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে আসছে এবং উপস্থাপিত আর্থিক রিপোর্টে যে পরিমাণ পণ্য উৎপাদন ও লাভের হিসাব দেখাচ্ছে, তা যথেষ্ট সন্দেহের উদ্রেক করে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, যথাযথভাবে হিসাব-নিকাশ করলে অবশ্যই প্রতিষ্ঠানটির নিট উৎপাদন ও আমদানিকৃত খুচরা যন্ত্রাংশের মধ্যে বড় ধরনের গরমিল পাওয়া যাবে। এজন্য সবার আগে দেখতে হবে, ওয়ালটন প্রতি বছর কী পরিমাণ ভ্যাট-ট্যাক্স দিচ্ছে।

এছাড়া সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত হবে, দক্ষ ও নিরপেক্ষ কোনো প্রতিষ্ঠান দিয়ে ওয়ালটনের বিজনেস প্রোফাইলের প্রকৃত তথ্য বের করা। বিশেষজ্ঞরা বলেন, জনস্বার্থে এটি দ্রুত করা প্রয়োজন। যেহেতু ওয়ালটন শেয়ারবাজারে আসছে, তাই এ বাজারের লাখ লাখ বিনিয়োগকারী যাতে কোনো ধরনের প্রতারণা কিংবা বিপদের মুখে না পড়েন, সেজন্য সরকারকে এ ধরনের উদ্যোগ নিতেই হবে।

অন্যদিকে ওয়ালটনের মুনাফা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা। তারা বলেন, ২০১৭-১৮ সালে ৩শ’ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের এ কোম্পানির মুনাফা ছিল ৩৫২ কোটি টাকা। কিন্তু ২০১৮-১৯ সালে এ কোম্পানির মুনাফা ১ হাজার ৩৭৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ আগের বছরের চেয়ে মুনাফা ২৯১ শতাংশ বেড়েছে।

এখানে বিশ্লেষকদের প্রশ্ন দুটি। প্রথমত, ৩শ’ কোটি টাকার কোম্পানিতে ১ বছরে প্রায় ১৪শ’ কোটি টাকা মুনাফা সম্ভব কিনা। তাদের মতে, পৃথিবীর কোনো ব্যবসাতে এটি সম্ভব নয়। দ্বিতীয়ত, আগের বছরের এক লাফে ২৯১ শতাংশ বৃদ্ধি সম্ভব কিনা। এখানে আরও একটি অবাস্তব বিষয় রয়েছে। যেই বছরে মুনাফা ২৯১ শতাংশ বেড়েছে, ওই বছরেই পণ্য বিক্রি বেড়েছে মাত্র ৮৯ দশমিক ৪ শতাংশ। এর মানে হল পণ্য বিক্রি কম, কিন্তু মুনাফা অনেক বেশি।

এ ব্যাপারে ওয়ালটনের বক্তব্যের জন্য প্রতিষ্ঠানটির কোম্পানি সেক্রেটারি পার্থ প্রদীপের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। প্রতিবেদনের বিষয়গুলো তাকে জানানো হলে লিখিত বক্তব্য দেবেন বলে জানান তিনি। তবে এরপর যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো সাড়া দেননি।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে