টেকনাফে কথিত বন্দুকযুদ্ধে জকির গ্রুপের আরও ২ সদস্য নিহত

0
102

কক্সবাজারের টেকনাফে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে রোহিঙ্গা ডাকাত জকির গ্রুপের আরও দুই সদস্য নিহত হয়েছেন।

র‌্যাবের দাবি, ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন র‌্যাবের তিন সদস্য।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার শামলাপুর মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন সৈকতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- কক্সবাজারের রামু উমখালী এলাকার আব্দু শুক্কুরের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩৮) প্রকাশ ডিবি সাইফুল ও টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের পশ্চিম লেদা এলাকার নুর আহমদের ছেলে নুর কামাল (৩৪) প্রকাশ সোনাইয়া।

র‌্যাব ১৫ টেকনাফ ক্যাম্প কমান্ডার লে. মির্জা শাহেদ মাহতাব জানান, ডাকাত জকির গ্রুপের সদস্যরা শামলাপুর ঝাউবাগানে অবস্থান করছে এমন খবরে র‌্যাব-১৫ এর একটি দল সেখানে অভিযানে যায়।

এসময় ডাকাত দলের সদস্যরা র‌্যাবের ওপর গুলিবর্ষণ শুরু করে। র‌্যাবও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলিবর্ষণ করলে উভয় পক্ষে ১৫-২০ মিনিট গোলাগুলি হয়।

একপর্যায়ে ডাকাত দলের সদস্যরা পিছু হটলে ঘটনাস্থলে দুই ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তাদেরকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এসময় ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে ম্যাগজিনসহ একটি বিদেশি পিস্তল, ছয় রাউন্ড গুলি, একটি বন্দুক, পাঁচ রাউন্ড কার্তুজ, দুই রাউন্ড খালি খোসা ও নগদ সাড়ে ৪০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান, নিহতরা পুরাতন রোহিঙ্গা। তাদের মধ্যে সাইফুল জকিরের সেকেন্ড ইন কমান্ড ও গ্রুপের অস্ত্র সংগ্রহের কাজ করতো। আর নুর কামাল প্রকাশ সোনাইয়া কয়েকমাস আগে মোছনী এলাকায় মাদক উদ্ধার অভিযানে গেলে র‌্যাবের ওপর গুলিবর্ষণ মামলার আসামি। এ ঘটনায় র‌্যাব বাদী হয়ে মামলা দায়ের করবে বলেও জানান র‌্যাবের এই কর্মকর্তা।

প্রসঙ্গত ১ মার্চ রাতে টেকনাফের জাদিমোরা এলাকায় র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে জকির বাহিনীর সাত সদস্য নিহত হয়েছিল। নিহতরা ছিলেন সবাই রোহিঙ্গা।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে