নতুন বছরে গাঙচিল

0
106

আর কয়েকদিন পরই শুরু হচ্ছে নতুন বছর। আর নতুন এই বছরে নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূলের ‘গাঙচিল’ সিনেমার বাকি অংশের কাজ আবার শুরু করতে যাচ্ছেন পূর্ণিমা। তিনি বলেন, চলতি বছর দুটি সিনেমা নিয়ে সময় কেটেছে। একটির নাম ‘জ্যাম’, অন্যটি ‘গাঙচিল’। দুটি সিনেমায় দুই ধরনের চরিত্রে দর্শকরা আমাকে দেখতে পাবেন। এরমধ্যে গত মাসে ‘গাঙচিল’-এর বেশকিছু অংশের কাজ শেষ হয়েছে। নতুন বছরে আবার এ সিনেমার কাজ শুরু হচ্ছে। নোয়াখালীতে  সিনেমাটির শুটিংয়ে অংশ নেব আমি।

এখানে এনজিওকর্মী হিসেবে অভিনয় করছি। এবার টানা ছবিটির কাজ শেষ করবেন নির্মাতা। আর এরপর ‘জ্যাম’ ছবির কাজ শুরু হবে বলে জানা যায়। পূর্ণিমার এ দুটি সিনেমার পরিচালক নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূল। নোয়াখালীর সুবর্ণচরের বাসিন্দাদের জীবনের নানা ঘটনা ‘গাঙচিল’ ছবির প্রধান উপজীব্য। এদিকে, পূর্ণিমা চলতি বছর শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রচারণামূলক কাজে অংশ নিয়েও আলোচনায় ছিলেন। ‘প্রাণ আপ’-এর বিশেষ উদ্যোগ শীতার্ত মানুষের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে সাত দিনব্যাপী কম্বল বিতরণ করেন তিনি। বছর  শেষে আবারো ‘ছড়াই ভালোবাসার উষ্ণতা’ শীর্ষক এই ক্যাম্পেইনে অংশ নেন তিনি। পূর্ণিমা এ প্রসঙ্গে বলেন, একজন নাগরিক হিসেবে আমার দায়িত্ব তো রয়েছেই, পাশাপাশি একজন অভিনয়শিল্পী হিসেবেও দেশের মানুষের জন্য সব সময়ই আমি কিছু না কিছু করার চেষ্টা করি। ‘ছড়াই ভালোবাসার উষ্ণতা’ ঠিক তেমনই একটি কাজ। আমি চাই শীতার্ত মানুষের পাশে সকলে থাকুক। উল্লেখ্য, চলচ্চিত্র নির্মাতা জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘এ জীবন তোমার আমার’ ছবিতে অভিনয় করে দর্শকদের অবাক করেন পূর্ণিমা। অল্প বয়সে রূপালি পর্দায় নায়িকা হিসেবে ঝলমলে এক অভিষেক হয়েছিল তার।  ১৯৯৭ সালে মুক্তি পাওয়া প্রথম ছবিতে পূর্ণিমা নায়ক হিসেবে পান চিত্রনায়ক রিয়াজকে। এরপর ‘নিঃশ্বাসে তুমি বিশ্বাসে তুমি’, ‘মেঘলা আকাশ’, ‘মনের মাঝে তুমি’, ‘মেঘের পরে মেঘ’, টাকা’, ‘সুভা’, ‘হৃদয়ের কথা’, ‘আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা’, ‘মাটির ঠিকানা’সহ অসংখ্য জনপ্রিয় বাংলা সিনেমায় অভিনয় করে তিনি পান দর্শকপ্রিয়তা। ২০১০ সালে কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘ওরা আমাকে ভালো হতে দিলো না’ ছবির জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে তিনি পান জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে