লালপুরে আওয়ামী লীগের সম্মেলন ঘিরে উত্তেজনা

0
47

স্টাফ রিপোর্টার: নাটোরের লালপুর উপজেলার ৩নং চংধুপইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলনের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি রবিবার। উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পক্ষ থেকে এ সম্মেলনের ডাক দেয়া হয়েছে। তবে সম্মেলন ঘিরে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় সাংসদ ও তার পক্ষের নেতাকর্মীদের দাবি- দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সাধারণ সভা না করে, সাংসদসহ সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত না করে এবং দলের হাই কমান্ড বিশেষ করে উত্তর বঙ্গের প্রবীণ নেতা নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নাটোর-৪ আসনের সাংসদ আলহাজ্ব অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুসের অনুমতি না নিয়ে এভাবে ঘরোয়া সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি হতে পারে না। এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সূত্রে জানা গেছে, সম্মেলনের স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে। ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যেই পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র। সম্মেলনের মাধ্যমে করা কমিটিতে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোজাম্মেল হককে ভারমুক্ত করে তাকেই সভাপতি রাখা হবে। আর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ও পরিষদের চেয়ারম্যান আবু আল বেলালকে রীতিমত জীবননাশের হুমকি দিয়ে তাকে জোর করে বাদ দিয়ে খুনের মামলার আসামীসহ সকল প্রকার অপরাজনীতির সাথে জড়িত এলাকার কুখ্যাত আরো অনেক ভয়ংকর অপরাধের সাথে জড়িতদের দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে। জানা গেছে, ইয়াবা ব্যবসা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় আব্দুলপুর বাজারের দোকান থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে গোপনে চাঁদা নেয়া, জুয়া খেলা, ট্রেনের তেল চুরির ভাগ নেয়া থানায় পুলিশের দালালি থেকে শুরু করে বিভিন্ন আওয়ামী লীগের ত্যাগী আদর্শের নেতা কর্মীদের হয়রানি করে মামলার ভয় দেখিয়ে সালিসের টাকা খেয়ে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টিকারি রেজাউলকে সেক্রেটারি বানানোর পরিকল্পনা চলছে।

স্থানীয় সূত্রে আরো জানা গেছে, রেজাউল অবৈধ পথে অর্থ উপার্জন করে থাকে। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আস্থাভাজন বীর মুক্তি যোদ্ধা সাবেক সাংসদ সর্বজনবিদিত নেতা শহীদ মমতাজ উদ্দীনের দেয়া প্রার্থী তৎকালীন থানা আওয়ামীগীগ নেতা আব্দুল হককের বিরুদ্ধে গিয়ে বিএনপির নেতা বুলুকে জেতাতে তার পক্ষে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিল। রেজাউল পরবর্তীতে ২০১৬ সালের ইউনিয়ন পরিষদের ভোটে শেখ হাসিনার মনোনিত নৌকার প্রার্থীকে পরাজিত করার জন্য ওই সময়ে নৌকার নির্বাচনী অফিস ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ করে নৌকা পুড়িয়ে ফেলে। সেই মামলায় তিনি জেলও খাটেন। এভাবে প্রতিটি ক্ষেত্রে আওয়ামীগ সংগঠন বিরোধী কাজ করে যাচ্ছেন রেজাউল। এ অবস্থায় স্থানীয় নেতা কর্মীদের দাবি- এভাবে কমিটি করা হলে কোন গ্রহনযোগ্যতা থাকবে না। ফলে স্থানীয় রাজনীতে বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে