শাস্তির জন্য নয়, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে আইন: ওবায়দুল কাদের

0
93

ঢাকা: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সড়কে আইন প্রয়োগে বাড়াবাড়ি হবে না। এ আইন কারও ক্ষতি করবে না। এই আইন করা হয়েছে জনস্বার্থে, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে। সুতরাং ধর্মঘট ডেকে সাধারণ মানুষকে কষ্ট দেবেন না। আইন মেনে চলুন।’

পরিবহনমালিক, শ্রমিক, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যানসহ পরিবহন খাতের নেতৃবৃন্দকে অনুরোধ করে বলেন, ‘জনগণের স্বার্থে, আপনাদের নিজেদের স্বার্থে সড়কে আজ শৃঙ্খলা দরকার, পরিবহনে শৃঙ্খলা দরকার। এই শৃঙ্খলা তৈরির জন্যই আইন করা হয়েছে, কাউকে শাস্তি দেওয়ার জন্য নয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কাউকে শাস্তি দিতে এই আইন করেননি। সুতরাং আপনাদের অনুরোধ করব, আপনারা আইনটি মেনে চলুন।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সড়কে আইন প্রয়োগে বাড়াবাড়ি হবে না। এ আইন কারও ক্ষতি করবে না। এই আইন করা হয়েছে জনস্বার্থে, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে। সুতরাং ধর্মঘট ডেকে সাধারণ মানুষকে কষ্ট দেবেন না। আইন মেনে চলুন।’

আজ মঙ্গলবার বিকেলে গাজীপুরের শহীদ বরকত স্টেডিয়ামে আয়োজিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গাজীপুর মহানগর ও জেলা শাখার প্রতিনিধি সভায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

পরিবহনমালিক, শ্রমিক, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যানসহ পরিবহন খাতের নেতৃবৃন্দকে অনুরোধ করে বলেন, ‘জনগণের স্বার্থে, আপনাদের নিজেদের স্বার্থে সড়কে আজ শৃঙ্খলা দরকার, পরিবহনে শৃঙ্খলা দরকার। এই শৃঙ্খলা তৈরির জন্যই আইন করা হয়েছে, কাউকে শাস্তি দেওয়ার জন্য নয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কাউকে শাস্তি দিতে এই আইন করেননি। সুতরাং আপনাদের অনুরোধ করব, আপনারা আইনটি মেনে চলুন।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘দলে কোনো ধরনের বাড়াবাড়ি চলবে না, জমি দখল চলবে না, টেন্ডারবাজি চলবে না, কোনো ধরনের দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। সবাই হুঁশিয়ার হয়ে যান। শেখ হাসিনার অ্যাকশন শুরু হয়ে গেছে, এই অ্যাকশন চলতে থাকবে। সকলের সঙ্গে ভালো আচরণ করুণ। মনে রাখবেন, উন্নয়ন আর অর্জনের কোনো দাম নেই যদি আচরণ খারাপ হয়।’

১ নভেম্বর নতুন সড়ক পরিবহন আইন কার্যকর করে সরকার। তবে নতুন আইনে মামলা ও শাস্তি দেওয়ার কার্যক্রম মৌখিকভাবে দুই সপ্তাহ পিছিয়ে দেন সড়কমন্ত্রী।

বিএনপির এখন বেলা শেষ মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির এখন বেলা শেষ। শেষ বেলায় এসে তারা একটার পর একটা ইস্যু খুঁজে বেড়াচ্ছে। কিন্তু শেখ হাসিনা প্রতি ক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে অ্যাকশন নিচ্ছেন, দলের লোকের বিরুদ্ধেও অ্যাকশন নিচ্ছেন। কাজেই বিএনপির হাতে এখন আর কোনো ইস্যু নেই। পেঁয়াজের দাম বেশি ছিল, এখন সেটাও নিয়ন্ত্রণে এসে যাচ্ছে। কয়েক দিনের মধ্যে ইনশা আল্লাহ পেঁয়াজের দাম স্বাভাবিক হবে। কাজেই আমরা তাদের কোনো ইস্যু খুঁজতে দেব না, দেব না।’

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযোদ্ধাবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী। আরও উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর–২, ৩, ৪ ও ৫ আসনের সংসদ সদস্যরা। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র ও গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে